মেনু নির্বাচন করুন

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ :


ভোক্তা-অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ৩,২৭,৯৭২ টি লিফলেট, প্যাম্ফলেট, স্টিকার ও ক্যালেন্ডার বিতরণ করা হয়েছে।  ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগে ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’   এর অধীনে রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় ও এর অধীন জেলা কার্যালয়সমূহের তদারকি টিম ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭৯৫টি বাজার তদারকির মাধ্যমে ১,০৬,১৯,৫০০/-(এক কোটি ছয় লক্ষ ঊনিশ হাজার পাঁচশত) টাকা; ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৫৫৯টি বাজার তদারকির মাধ্যমে ১,১৫,০০,৫০০/-(এক কোটি পনের লক্ষ পাঁচশত) টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের ০১ জুলাই ২০২০ থেকে ২২ জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ১৭৫৯ টি বাজার তদারকির মাধ্যমে ১,৩৮,২২,৩০০/-(এক কোটি আটত্রিশ লক্ষ বাইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। বিগত অর্থবছরে ২০১৮-১৯ অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে ৪০৪টি, অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৩৮৯টি ও অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ৪,৪৪,৩০০/-(চার লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায়; ২০১৯-২০ অর্থবছরে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে ৫৫২টি, অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৫৩৯টি ও অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ৬,৩৮,০০০/-(ছয় লক্ষ আটত্রিশ হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের ০১ জুলাই ২০২০ থেকে ২২ জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে ৫৮০টি, অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৫১১টি ও অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ৫,৫৬,৫০০/-(পাঁচ লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ এর ৭৬(৪) ধারায় গত তিন অর্থবছরে ০১ জুলাই ২০১৮ থেকে ২২ জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত আদায়কৃত জরিমানার ২৫% হিসাবে মোট ৩৪১ জন  অভিযোগকারীকে ৩,৯৪,২০০/-(তিন লক্ষ চুরানব্বই হাজার দুইশত) টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং ২৬ জন অভিযোগকারী ২৫% শতাংশ হিসাবে ১৫,৫০০/-(পনের হাজার পাঁচশত) টাকা গ্রহণ না করায় সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে । ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ প্রচারের লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন অধিকতর প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহী বিভাগে ৪২৬ টি গণশুনানী/সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিকন্তু রাজশাহী বিভাগে বিভাগীয়, সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতি বছর ১৫ মার্চ বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।